বরোদার কীর্তি মন্দির ও নন্দলাল বসু
বাংলার 1333 সালের 25 শে বৈশাখ। "নটীর পূজা' কবির জন্মদিনে সন্ধ্যাবেলায় শান্তিনিকেতনে উত্তরায়নে কোণার্কে প্রথম অভিনীত হলো। 'নটী'র ভূমিকায় নামলেন আচার্য নন্দলালের জ্যেষ্ঠা কন্যা (জন্ম 1907 ) শ্রীমতী গৌরী। তাঁর নৃত্যভঙ্গিমায় একটি অপরূপ অপার্থিব সৌন্দর্য ফুটে উঠলো। শান্তিনিকেতনের নৃত্যকলার ইতিহাসে এ হলো একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।" লিখছেন পঞ্চানন মন্ডল তাঁর 'ভারতশিল্পী নন্দলাল' বইতে। সে 1926 সাল। আর আজ 2024 এ কলকাতা থেকে প্রায় দুহাজার কিলোমিটার দূরে নন্দলাল বসুর আঁকা দেওয়াল চিত্রের সামনে দাঁড়িয়ে মনে হল সেদিনের অবিস্মরণীয় নৃত্য আমরা যারা দেখিনি তাদের জন্যই যেন এই ছবিতে সেই নৃত্যের ছন্দ গতি আর সমস্ত অভিনয় সুষমা ধরে রাখা হয়েছে। মনে হল এমন কথাই তো লিখেছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর 'পঞ্চতন্ত্র' বইতে। এই দেওয়ালচিত্রেরই বিষয়ে লিখতে গিয়ে তিনি বলছেন "সে চিত্র তো স্টাটিক নয়, স্তম্ভিত’ নয়–বস্তুত তার দিকে অনেকক্ষণ একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকলে মনে হয়, এই বুঝি নটী আরেকখানি অলঙ্কার গাত্র থেকে উন্মোচন করে দর্শকের দিকে, আপনারই দিকে অবহেলে উৎক্ষেপ করবে, এই বুঝি মৃদঙ্গে ভিন্...

