সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বৈশিষ্ট্য

কল্পেশ্বর থেকে রুদ্রনাথ

পাহাড়ে সব ভালো। পাইন জঙ্গলের ঠান্ডা বাতাস সে ও ভালো। সেই বাতাস মেখে হোমস্টে-র বারান্দায় পৌঁছালে ভয়াল দর্শন যে কুকুর পরখ করতে আসে সেও কত ভালো। মনে হয় তার কাছে খুলে দিই বাকি রাস্তার জন্য সঞ্চিত খাবারের ঝাঁপি। পাহাড়ের দূরতম ঢেউ এর মাথায় যখন জমে ওঠে কালো মেঘ, জানি সেও ভালোমানুষের মত আজ রাতে জল দিয়ে আকাশের মুখ ধুয়ে দেবে। আর সকাল সকাল হেসে উঠবে পাহাড়। রাজনৈতিক পরিহাসের বাইরে এই নির্মল হাসি কতদিন হাসি নি। আমাদের আদিখ্যেতা দেখে আজ সেই হাসি হাসল আগামী দিনের সঙ্গী নরেন্দ্রজি। আমরা যাবো কল্পেশ্বর থেকে রুদ্রনাথ। পাহাড়ে অনেকদিন ঘোরাঘুরির সুবাদে পঞ্চকেদারের মধ্যে তিনটি একাধিক বার দেখা হলেও বাকি থেকে গেছিল এই দুটি। এখন বয়সের আকাশে পশ্চিমের রক্তমেঘ, অতএব আর অপেক্ষা নয়। কল্পেশ্বর থেকে রুদ্রনাথ নানাভাবে যাওয়া যায়। প্ৰথমত হরিদ্বার থেকে জোশিমঠ গামী বাসে বা গাড়িতে করে হেলাঙ নেমে সেখান থেকে ছোট গাড়িতে ঊর্গম। তারপরে সামান্য হাঁটাপথে দেবগ্রাম হয়ে দেখে নেওয়া যায় কল্পেশ্বর মন্দির। পঞ্চকেদারের মধ্যে একমাত্র এই মন্দিরই সারাবছর খোলা থাকে। কল্পেশ্বর দেখা সাঙ্গ করে গাড়িপথে আবার হেলাঙ হয়ে চলে আসা যায় গোপেশ্বর। সেখ...

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

ছবির খোঁজে হাজারীবাগে

বনকাটির পিতলের রথ

মহাকাশ্যপ এখানে অপেক্ষা করছেন